fbpx

চণ্ডাল কোনোদিনো ব্রাহ্মণ হতে পারে না- মহাভারত

ও কে? চণ্ডাল? চমকাও কেন? নহে ও ঘৃণ্য জীব!
ওই হতে পারে হরিশ্চন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
-কাজী নজরুল ইসলাম

বহুকাল ধরে হিন্দু সমাজে জাতের নামে বজ্জাতি চলেছে। হাজার হাজার বছরে জাতিভেদ হিন্দু ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সময়ের সাথে সাথে নানা সমাজ সংস্কারকদের প্রচেষ্টায় এই জাতিকুপ্রথা অনেকাংশেই শিথিল হয়ে পড়েছে। এরপরেও ভারতবর্ষে নানাস্তরে জাতিভেদ মান্য করা হয়। ভারতের অনেক স্থানে প্রতিনিয়ত দলিতদের অত্যাচারিত হতে দেখা যায়। কিন্তু এমন অনেককে এখনো পাওয়া যাবে, যারা হিন্দুসমাজের জাতিভেদের মত ঐতিহাসিক সত্যকে স্বীকার করতে চান না। তাদের ভাব এমন যেন হিন্দুসমাজে কোনোদিনো জাতিভেদের অস্তিত্ব ছিলই না! তারা বলেন, হিন্দু সমাজের বর্ণব্যবস্থা কখনো অনমনীয় ছিল না। সবসময় মানুষ তার গুণ এবং কর্মের ভিত্তিতেই বর্ণপরিচয় পেত। কারো মাঝে ক্ষত্রিয়ের গুণ থাকলে সে ক্ষত্রিয় হত, ব্রাহ্মণের গুণ থাকলে সে হত ব্রাহ্মণ, বৈশ্যের গুণ থাকলে হত বৈশ্য এবং শূদ্রের গুণ থাকলে হত শূদ্র। কিন্তু এইসব দাবী অত্যন্ত শ্রুতিমধুর হলেও সর্বাংশে সত্য নয়। মহাভারতে চণ্ডাল মতঙ্গের একটি উপাখ্যান পাওয়া যায়, যা এইসব শ্রুতিমধুর দাবীকে মিথ্যা বলে প্রতিপন্ন করে। চণ্ডাল মতঙ্গের মধ্যে ব্রাহ্মণের গুণ থাকা সত্ত্বেও,  বহু বছর কঠোর তপস্যা করা সত্ত্বেও সে কোনোদিন ব্রাহ্মণ হতে পারেনি। মহাভারতের ‘মতঙ্গ-গর্দভী’ সংবাদে এই বার্তাই প্রদান করা হয়েছে যে , চণ্ডাল চাইলে কোনোমতেই কোনোদিনো এক জন্মে ব্রাহ্মণ হতে পারেনা।

মহাভারতের অনুশাসন পর্বে ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির তার পিতামহ ভীষ্মকে জিজ্ঞেস করেন, “ …ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র কোন কাজ দ্বারা ব্রাহ্মণত্ব লাভে সমর্থ হয়? তপস্যা, সৎকার্য, শাস্ত্রজ্ঞান এই কয়েকটির মধ্যে কোনটি ক্ষত্রিয় প্রভৃতি বর্ণত্রয়ের ব্রাহ্মণত্ব লাভের উপযোগী , তা আপনি বিস্তারিত বলুন।“

যুধিষ্ঠিরের প্রশ্নের উত্তরে  ভীষ্ম বলেন, “ ধর্মরাজ ক্ষত্রিয় প্রভৃতি বর্ণত্রয়ের ব্রাহ্মণত্ব লাভ করা  অত্যন্ত কঠিন। ব্রাহ্মণত্ব সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। জীব বারবার জন্মমৃত্যু লাভ ও বহুবিধ যোনিতে পরিভ্রমণ করে পরিশেষে ব্রাহ্মণত্ব লাভ করে থাকে।“

এরপর ভীষ্ম যুধিষ্ঠিরকে ‘মতঙ্গ-গর্দভী’ সংবাদ শোনানো শুরু করেন যেখানে  চণ্ডাল মতঙ্গের ব্রাহ্মণ হওয়ার বৃথা প্রচেষ্টার কথা রয়েছে।


মাতঙ্গের কাহিনীটির বর্ণনা করা হচ্ছেঃ

পূর্বকালে এক ব্রাহ্মণের স্ত্রীর গর্ভে শূদ্রের ঔরসে মতঙ্গ নামে এক পুত্রের জন্ম হয়। মতঙ্গ সর্বগুণসম্পন্ন ছিলেন।  ব্রাহ্মণ ঐ পুত্রকে তার ঔরসজাত  ভেবে তার জাতকর্ম ইত্যাদি সমাপন করেন। একদিন ব্রাহ্মণ মতঙ্গকে বলেন, “ বৎস! আমি দেবতাদের উদ্দেশ্যে একটি যজ্ঞ করবো। তুমি শীঘ্রই যজ্ঞের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসমূহ নিয়ে এসো।“ পিতার এই কথা শুনে মাতঙ্গ একটি গর্দভশিশুযুক্ত রথে চড়ে যজ্ঞের দ্রব্য আনতে বেরিয়ে পড়লেন।  কিন্তু ওই গর্দভশিশু যেখানে যাওয়ার কথা সেখানে না গিয়ে তার মায়ের কাছে গিয়ে উপস্থিত হয়। গর্দভশিশুর এই আচরণ দেখে মতঙ্গ সেই গর্দভশিশুর নাকে বারংবার আঘাত করতে থাকেন। তখন সেই গর্দভশিশুর মা মতঙ্গকে উদ্দেশ্য করে তার শিশুকে বলতে থাকে, “ বৎস, তুমি দুঃখিত হোয়ো না। এখন এক চণ্ডাল তোমাকে সঞ্চালিত করছে। ব্রাহ্মণ কখনো এমন নিষ্ঠুর স্বভাবের হন না। ব্রাহ্মণ জগতের মিত্র। তিনি সকল ভূতের আচার্য ও শাসনকর্তা, এই ব্যক্তি ব্রাহ্মণ হলে কি তোমাকে এমন নির্দয়ভাবে আঘাত করতে পারত? এই দুরাত্মার স্বভাব অত্যন্ত পাপময়। শিশুর প্রতি এর  একটুও দয়া হচ্ছে না। এই নির্দয় যেমন ঔরসে জন্মগ্রহণ করেছে, তেমন কাজই করছে। জাতিগত কারণেই সে তোমার প্রতি সদ্ভাব প্রদর্শন করতে পারছে না। “

গর্দভীর কাছে এমন কটু কথা শোনার পর মতঙ্গ গর্দভীকে বললেন, “ কল্যাণী! আমার মা যেভাবে দূষিত হয়েছে, আমি যে কারণে চণ্ডাল হয়েছি এবং যে কারণে আমার ব্রাহ্মণত্ব নষ্ট হয়েছে  তুমি  আমার কাছে সেসব নির্দ্বিধায় বল।

তখন গর্দভী বললো, “ তুমি কামোন্মত্তা ব্রাহ্মণীর গর্ভে নাপিতের ঔরসে জন্মগ্রহণ করেছ। এই কারণে তোমার ব্রাহ্মণত্ব বিলোপ পেয়েছে আর তুমি চণ্ডাল হয়েছ।“


মতঙ্গ গর্দভীর মুখে একথা শোনার সাথে সাথে যজ্ঞের দ্রব্য আহরণ না করেই গৃহে ফিরে যায়। তখন তার ব্রাহ্মণ পিতা তাকে যজ্ঞের দ্রব্য না নিয়ে ফিরে আসার কারণ জিজ্ঞাসা করেন। উত্তরে মতঙ্গ বলেন, “ পিতা! যে ব্যক্তি চণ্ডাল জাতি বা তারচেয়ে নিকৃষ্ট জাতিতে জন্মগ্রহণ করেছে , তার আর মঙ্গল কি? যার মাতা দুঃশীলা , সে কিভাবে  কুশলী হবে? এক গর্দভী আমাকে বলেছে-  তুমি ব্রাহ্মণীর গর্ভে শূদ্রের ঔরসে জন্মগ্রহণ করেছ। এর কথা কখনো মিথ্যা হতে পারে না । তাই আমি এখন ব্রাহ্মণত্ব লাভ করার জন্য  অত্যন্ত কঠোর তপস্যা করবো। “

কথা শেষ করে মতঙ্গ এক বনে গিয়ে ব্রাহ্মণত্ব লাভের জন্য কঠোর তপস্যা করতে থাকেন। মতঙ্গের কঠোর তপস্যা দেখে দেবতারা ভয় পেয়ে দেবরাজ ইন্দ্রকে মতঙ্গের কাছে পাঠান। বর প্রদানে আগ্রহী ইন্দ্র মতঙ্গের কাছে  তার তপস্যার কারণ জানতে চান। মতঙ্গ বলেন, “ ভগবান! আমি ব্রাহ্মণত্ব লাভ করার জন্য এই তপস্যা করছি। ব্রাহ্মণত্ব ছাড়া আমি অন্য কোনো বর চাই না। ব্রাহ্মণত্ব লাভ করলেই আমি ঘরে ফিরে যাবো।“ তখন  ইন্দ্র মতঙ্গের সেই অসঙ্গত প্রার্থনা শুনে বললেন, “ মতঙ্গ তুমি যা লাভ করতে চাইছ, তা নিতান্ত দুর্লভ। তুমি এই অসুলভ বিষয় লাভের চেষ্টা করে নিশ্চয়ই বিনাশপ্রাপ্ত হবে। ব্রাহ্মণত্ব সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ; তপস্যা দ্বারা কোনোক্রমেই তা অধিকার করা যেতে  পারে না। অতএব তুমি অবিলম্বে এই দুরাশা পরিত্যাগ কর। ত্রিলোকমধ্যে যা পরম পবিত্র বলে সমাদৃত , তুমি চণ্ডাল যোনিতে জন্ম গ্রহণ করে তা কিভাবে লাভ করতে সক্ষম হবে?”


দেবরাজ ইন্দ্র এমন বললেও মতঙ্গ ইন্দ্রের কথা না শুনে একশ বছর এক পায়ের উপর দাঁড়িয়ে কঠোর তপস্যা করলেন। তখন ইন্দ্র আবারো তার কাছে এসে উপস্থিত হলেন এবং বললেন, “ বৎস! ব্রাহ্মণত্ব নিতান্ত দুর্লভ। তুমি তা লাভ করতে চেষ্টা করে নিশ্চয় কালকবলে নিপতিত হবে।এরপরেও আমি তোমাকে বারংবার নিষেধ করছি। তুমি ব্রাহ্মণ্য লাভ করতে চেয়ো না । তুমি হাজার চেষ্টা করলেও কোনোক্রমেই তা লাভ করতে পারবে না। জীব তির্যকযোনি হতে মনুষ্যত্ব লাভ করে প্রথমে পুক্কস বা চণ্ডাল যোনিতে জন্মগ্রহণ করে  হাজার বছর সেই নিকৃষ্ট যোনিতে পরিভ্রমণ করে শূদ্রত্ব লাভ করে। এরপরে তিনশ হাজার বছর শেষ  হলে তার বৈশ্যত্ব, বৈশ্যত্ব লাভের পর এক লক্ষ আশি হাজার বছর অতীত হলে ক্ষত্রিয়ত্ব ও ক্ষত্রিয়ত্ব লাভের পরে  একশ আশি লক্ষ  বছর অতীত হলে পতিত ব্রাহ্মণত্ব লাভ হয়। এরপরে সে সেই পতিত ব্রাহ্মণকুলে দুইশ ষোলো কোটি বছর পরিভ্রমণ করে অস্ত্রজীবি ব্রাহ্মণের কুলে, এরপরে চৌষট্টি হাজার  আটশ কোটি বছর অতীত হলে গায়ত্রীসেবি ব্রাহ্মণ বংশে, এবং পরিশেষে ঐ বংশে দুইশ ঊনষাট লক্ষ বিশ হাজার কোটি বছর পরিভ্রমণ করে শ্রোত্রিয় গৃহে জন্মগ্রহণ করে।… হে মতঙ্গ,  এইমাত্র আমি তোমাকে যা বললাম , তুমি তা বোঝার চেষ্টা কর। তুমি অন্য কোনো বর চাও। ব্রাহ্মণত্ব লাভ  করা তোমার পক্ষে অত্যন্ত কঠিন।“


ইন্দ্রের এ কথা শুনেও মতঙ্গ থামলেন না। এক পায়ে দাঁড়িয়ে আরো এক হাজার বছর ধ্যানে মগ্ন রইলেন। এবারো  ইন্দ্র মতঙ্গের কাছে উপস্থিত হয়ে মতঙ্গকে আগের কথাগুলো বলে তপস্যা করতে নিষেধ করলেন।


তখন মতঙ্গ ইন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করেন, “হে পুরন্দর, আমি ব্রহ্মচারী হয়ে  একাগ্রমনে হাজার বছর ধরে এক পায়ের উপর দাঁড়িয়ে আছি ; এরপরেও কি কারণে আমার ব্রাহ্মণত্ব লাভ হচ্ছে না?”


মতঙ্গের প্রশ্ন শুনে দেবরাজ ইন্দ্র এর উত্তর দেন- “ বৎস! তুমি চণ্ডাল যোনিতে জন্মেছ ; তাই কোনোভাবেই তুমি ব্রাহ্মণত্ব লাভ করতে সক্ষম হবে  না। এখন তোমার আর বৃথা পরিশ্রম করবার দরকার নেই। তুমি অন্য  বর প্রার্থনা কর। তখন মতঙ্গ ইন্দ্রের এই কথা শুনে অত্যন্ত দুঃখিত হয়ে গয়া তীর্থে গিয়ে এক বছর  অঙ্গুষ্ঠের উপর ভর করে দাঁড়িয়ে তপস্যা করেন। ঐরকম কঠোর তপস্যার ফলে তার শরীর অস্থিচর্মসার  হয়ে পড়ে । একসময়  ঐ ঘোরতর তপস্যা করতে করতে তিনি ভূতলে নিপতিত হন। এর সাথে সাথেই ইন্দ্র মতঙ্গের সামনে উপস্থিত হন। ইন্দ্র মতঙ্গকে  বলেন, “ বৎস! ব্রাহ্মণত্ব লাভ তোমার পক্ষে নিতান্ত বিরুদ্ধ বলে মনে হচ্ছে।  ব্রাহ্মণত্ব লাভ করা অত্যন্ত  কঠিন, তা লাভ করতে চাইলে অশেষ বিঘ্ন উপস্থিত হয়। এই ভূমন্ডলে ব্রাহ্মণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আর কেউই নেই। ব্রাহ্মণকে পূজা না করলে অশেষ দুঃখ এবং পূজা করলে বিবিধ সুখ লাভ হয়ে থাকে। ব্রাহ্মণ সমুদায় প্রাণীর মঙ্গলদাতা। ব্রাহ্মণ হতেই দেবতা ও পিতৃগণ পরিতৃপ্ত হয়। ব্রাহ্মণগণ যখন যা বাসনা করেন তখনই তা করতে পারেন। জীব পর্যায়ক্রমে বহুতর যোনি পরিভ্রমণ করে পরিশেষে ব্রাহ্মণত্ব লাভ করে। অতএব তুমি সেই দুর্লভ ব্রাহ্মণত্ব লাভের বাসনা পরিত্যাগ করে অন্য বর প্রার্থনা কর। তুমি কখনোই ব্রাহ্মণত্ব লাভে সক্ষম হবে না। “  


ইন্দ্রের কথা শুনে মতঙ্গ ইন্দ্রকে বলেন, “ দেবেন্দ্র,  আপনি কেন মৃত ব্যক্তির উপর প্রহার  করার মত আমাকে তিরস্কার  করেছেন? আমি তপোবলে ব্রাহ্মণত্ব লাভের উপযুক্ত হলেও আপনি কেন আমাকে তা প্রদান করছেন না? অনেকে ক্ষত্রিয় প্রভৃতি তিন বর্ণের পক্ষে নিতান্ত দুর্লভ ব্রাহ্মণত্ব লাভ করেও নিয়মিত তা প্রতিপালন করছে না। যারা দুর্লভ ব্রাহ্মণত্ব লাভ করে তা প্রতিপালন করে না, তারা একেবারে পাপাত্মা ব্যক্তিদের চাইতেও অধম। কিন্তু জনসমাজে তেমন ব্যক্তিরা তো ব্রাহ্মণ বলে অভিহিত হয়ে থাকে। অতএব যখন অনেকে অহিংসা, শম দম প্রভৃতি ধর্মের অনুষ্ঠান না করেও ব্রাহ্মণ হিসাবে পরিগণিত হচ্ছে , তখন আমি আত্মতৃপ্ত, নির্দ্বন্দ্ব, নির্লিপ্ত ,অহিংসা প্রভৃতি ধর্মাবলম্বী হয়েও কেন  ব্রাহ্মণত্ব লাভে বঞ্চিত হব?  হায়! আমার কি দুর্ভাগ্য, আমি ধর্মজ্ঞ হয়েও কেবল  মাতৃদোষে এমন  দুরবস্থা প্রাপ্ত হলাম। যখন আমি এমন যত্নবান হয়েও, ব্রাহ্মণত্ব লাভে অসমর্থ হলাম, তখন নিশ্চিতভাবে মনে হচ্ছে  মানুষ হয়ে দৈবকে অতিক্রম করা অত্যন্ত কঠিন। যাইহোক, আমি ব্রাহ্মণত্ব লাভের আশা পরিত্যাগ করলাম।“

 [ কালিপ্রসন্ন সিংহ কর্তৃক অনূদিত মহাভারত / অনুশাসন পর্ব/ ২৭ – ২৯  অধ্যায়]

এই উপাখ্যান শুনে অনেকেই বলতে পারেন, এতো কাল্পনিক গল্প। আমিও এই গল্পকে কাল্পনিক বলেই মনে করি। এই উপাখ্যানের বাকপটু গাধা যে কাল্পনিক এতে সন্দেহ নেই। দেবরাজ ইন্দ্রের অস্তিত্বেও আমি বিশ্বাস করিনা। একজন ব্যক্তির পক্ষে হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকা এবং তপস্যা করা সম্ভব বলেও আমি মনে করিনা। কিন্তু এসবের চাইতে গুরুত্বপূর্ণ  হল সেই মেসেজটি বোঝা যা এই গল্পের মাধ্যমে বর্ণবাদীরা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তারা সমাজকে এই বার্তাই দিয়েছে, ব্রাহ্মণবংশে জন্ম না হলে ব্রাহ্মণ হওয়া সম্ভব নয়; আর চণ্ডালের পক্ষে তো তা কোনো মতেই সম্ভব নয়, তা সে  চণ্ডাল যতই ধার্মিক হোক না কেন!



স্ক্রিনশটসমূহঃ

চণ্ডাল
স্ক্রিনশট ১
চণ্ডাল
স্ক্রিনশট ২
চণ্ডাল
স্ক্রিনশট ৩
চণ্ডাল
স্ক্রিনশট ৪


অজিত কেশকম্বলী II

"মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপারে তুই মূল হারাবি, মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি।"

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *