হিন্দু ধর্ম ও গোমাংস রহস্যঃ নিষেধের যুগ

(পূর্ববর্তী পর্বগুলো পড়ুন এই লিংক থেকে)   

অনেক ব্যাপারেই হিন্দু সমাজে অদল বদল হয়েছে। কালের বিবর্তনে হিন্দুসমাজের অনেক রীতি নীতি, আচার ব্যবহারই বদলে গিয়েছে। একসময় যা ছিল বৈধ, পরবর্তীকালে তা হয়েছে অবৈধ। একসময় যা ছিল পূণ্যের, পরবর্তীতে তা হল পাপময়। গোমাংসের ক্ষেত্রেও হিন্দুসমাজের চিন্তাধারার একই প্রকারের পরিবর্তন ঘটেছে। একসময় গোমাংসভক্ষণ পাপ বলে বিবেচিত হত না, যজ্ঞে গোহত্যা করা হত, অতিথিদের আপ্যায়ণে পরিবেশন করা হত গোমাংস। ‘হিন্দু ধর্ম ও গোমাংসরহস্য’ শীর্ষক সিরিজে  এসব আমি তুলে ধরেছি। এই সিরিজে হিন্দুশাস্ত্রে গোমাংসভক্ষণ সম্পর্কিত তথ্যসমূহ তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু হিন্দুশাস্ত্রে গোমাংসবিষয়ক নিষেধাজ্ঞাও বর্তমান। প্রাচীনকালের গোহত্যাকে যখন হিন্দুসমাজ অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল, তখন এর উপর অনেক বিধিনিষেধও আরোপ করেছিল। আর এইসব বিধি পরবর্তীকালের হিন্দুশাস্ত্রে লিপিবদ্ধও করা হয়েছিল। এই লেখাতে  গোমাংস বিষয়ক নিষেধাজ্ঞা সম্বন্ধে হিন্দু শাস্ত্রীয় বিধান তুলে ধরা হবে।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ

অতীতে গোমাংসভক্ষণ যে প্রচলিত ছিল এবং তা যে পরবর্তীকালে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ হতে তা বোঝা যায়। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বলা হয়েছে কলিকালে গোহত্যা না করতে। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের শ্রীকৃষ্ণ জন্মখণ্ডের ১১৫ তম অধ্যায়ে এই বিষয়ে বলা হয়েছে-

অশ্বমেধং গবালম্ভং সন্ন্যাসং পলপৈতৃকম্।

দেবরেণ সুতোৎপত্তিং কলৌ পঞ্চ বিবর্জয়েৎ।। (১১১)
অর্থাৎ- অশ্বমেধ, বৈধ গোবধ, সন্ন্যাস ক্ষেত্রজাদি পুত্রের করণ এবং দেবরদ্বারা পুত্রোৎপাদন কলিকালে এই পাঁচটি কার্য নিষিদ্ধ।

( অনুবাদক- পঞ্চানন তর্করত্ন; নবভারত পাবলিশার্স)

অগ্নিপুরাণ

অগ্নিপুরাণের ১৬৮ অধ্যায় অধ্যায়ে গোমাংস খেলে প্রায়শ্চিত্ত করতে বলা হয়েছে –

গো-নরাশ্ব-খরোষ্ট্রাণাং ছত্রাকং গ্রাম্যকুক্কুটম্। ।

মাংসং জগ্ধা কুঞ্জরস্য তপ্তকৃচ্ছ্রেণ শুধ্যতি।

অর্থঃ গো, নর, অশ্ব, উষ্ট্র, গ্রাম্য কুক্কুট ও হস্তী ইহাদের মাংসাদি ভক্ষণ করিলে তপ্ত কৃচ্ছ্রের অনুষ্ঠান দ্বারা শুদ্ধি লাভ হইয়া থাকে।

মহানির্বাণ তন্ত্র

মহানির্বাণ তন্ত্রের ১১ উল্লাসের  ১২৫ নং শ্লোকে গোমাংস খেলে উপবাস করে শুদ্ধ হতে বলা হয়েছে-

ভুঞ্জানো মানবং মাংসং গোমাংসং জ্ঞানত শিবে

উপোষ্য পক্ষং শুদ্ধঃ স্যাৎ প্রায়শ্চিত্তমিদং স্মৃতম্।।

অর্থঃ হে শিবে! যদি কোনো ব্যক্তি জ্ঞান পূর্বক মনুষ্য মাংস বা গোমাংস ভক্ষণ করে তাহা হইলে একপক্ষ উপবাস করিয়া সে ব্যক্তি শুদ্ধ হইবে- এই তাহার প্রায়শ্চিত্ত।

[ কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন কর্তৃক অনুবাদিত; প্রকাশকঃ উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়]

মনুসংহিতা

গৃহ্যসূত্র ও ধর্মসূত্রে আমরা দেখেছি শ্রাদ্ধে গোহত্যা করা হত। কিন্তু মনুসংহিতা ৪/১৭৬ এর কুল্লুক ভট্টের ভাষ্যে বলা হচ্ছে কলিযুগে অষ্টকা প্রভৃতি শ্রাদ্ধে গোবধ না করতে-

পরিত্যজেদর্থকামৌ যৌ স্যাতাং ধর্মবর্জিতৌ।

ধর্মঞ্চাপ্যসুখোদর্কং লোকবিক্রুষ্টমেব চ।।

অর্থ- “ ধর্মবিরুদ্ধ অর্থ ও কামনা ত্যাগ করবেন। চুরি করেও অর্থোপার্জন ঘটে; কিন্তু তা ধর্মবিরুদ্ধ হওয়ায় ত্যাগ করবেন। যেরূপ ধর্ম আচরণ করলে পরিশেষে দুঃখ পেতে হয় এমন ধর্ম আচরণ করবেন না। যেমন, যে ব্যক্তির বহু পুত্র আছে তার কখনোই সর্বস্ব দান করা উচিত নয়। উপরন্তু যে প্রকার ধর্মাচরণে লোকে নিন্দা করে অথবা লোকের আক্রোশ ভাজন হতে হয় এমন ধর্ম আচরণ করবেন না। যেমন, কলিযুগে অষ্টকা প্রভৃতি শ্রাদ্ধে কখনোও গোবধ করবেন না।“ [ মনু ৪/১৭৬; অনুবাদক- চৈতালী দত্ত ; কুল্লুক ভট্টের টীকা দেখুন]

সংবর্ত সংহিতা

সংবর্ত সংহিতার ১৯৫ তম শ্লোকে বলা হয়েছে-

গোমাংসং মানুষঞ্চৈব শুনো হস্তাৎ সমাহিতম্।

অভক্ষ্যমেতৎ সর্ব্বন্তু ভুক্ত্বা চান্দ্রায়ণং চরেৎ।।

অর্থঃ গোমাংস, মনুষ্যের মাংস এবং কুক্কুরের হস্ত হইতে আহৃত যে দ্রব্য এ সকল অভক্ষণীয় , ইহা ভক্ষণ করিয়া চান্দ্রায়ণ ব্রত করিবে। (অনুবাদক- পঞ্চানন তর্ক রত্ন)

গৌতম সংহিতা

গৌতম সংহিতার দশম অধ্যায়ে বলা হয়েছে গোহত্যা করলে রাজা পাপী হন-

“ যুদ্ধকালে প্রাণীহিংসার জন্য পাপ নাই কিন্তু হতাশ্ব , হরসারথী, ছিন্নায়ুধ, কৃতাঞ্জলি, আলুলায়িত কেশে পরাঙ্মুখ হইয়া উপবিষ্ট এবং বৃক্ষাদিরূঢ় শত্রু ও দূত, গো, ব্রাহ্মণ এবং বন্দী ইহাদিগকে বধ করিলে রাজা পাপী হন। ( দশম অধ্যায়)

গৌতম সংহিতার ১৭ তম অধ্যায়ে অভক্ষ্য প্রাণীদের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে গাভী বা বলদের মাংস খেতে নিষেধ করা হয়েছে –

“ The flesh of an animal possessing two rows of teeth , or of one possessing both wool and hair, or of one with unbifurcated hoops as well as that of Kalavinka (sparrow), diver, crane (chakravaka) , swan, crow, vulture, hawk, or domestic cock , or of a bird whose head and legs are red , together with the flesh of a boar, cow or bullock shall never be eaten.” [ Gautama Samhita, 17 chapter; Edited and Published by Manmatha Nath Dutt]

বিষ্ণু সংহিতা

বিষ্ণু সংহিতার ৫১ অধ্যায়ে গোমাংস খেলে প্রায়শ্চিত্তের বিধান দেওয়া হয়েছে –

“সুরাপায়ী ব্যক্তি যজন যাজনাদি সর্ব কর্ম বর্জিত হইয়া একবর্ষ কণামাত্র ভোজন করিয়া থাকিবে। মল মদ্য এ সকলের অন্যতম ভোজনে চন্দ্রায়ন করিবে। লশুন, পলাগু, গৃঞ্জন, এতদ্গন্ধি (অর্থাৎ লশুনাদি গন্ধযুক্ত দ্রব্য), বিড়বরাহ, গ্রাম্য কুক্কুট, বানর এবং গো (এতদন্যতমের) মাংস ভোজনেও ঐ প্রায়শ্চিত্ত।“  ১-৪  ( অনুবাদক- পঞ্চানন তর্ক রত্ন)

বিষ্ণু সংহিতার ৫০ অধ্যায়ে বলা হয়েছে-

“ মণ্ডিতকেশ হইয়া একমাস গবানুগমন করিবে;- গোগণ আসীন হইলে উপবেশন করিবে, দণ্ডায়মান থাকিলে দণ্ডায়মান থাকিবে; অবসন্ন হইলে উদ্ধার করিবে; ভয় হইতে রক্ষা করিবে। তাহাদিগের শীতাদি নিবারণ না করিয়া আপনার শীতাদি নিবারণ করিবে না; গোমূত্রদ্বারা স্নান করিবে। দুগ্ধপান করিয়া জীবনধারণ করিবে। এই গোব্রত গোবধ করিলে করিবে। “

বিষ্ণু সংহিতার পঞ্চম অধ্যায়ে আছে-

“অভক্ষ্য দ্বারা ব্রাহ্মণকে দূষিত করিলে ষোরশ সুবর্ণ অর্থ দণ্ড ( অর্থাৎ ভোক্তা ব্রাহ্মণের অজ্ঞাতসারে তাহাকে সামায় অভক্ষ্য ভোজন করাইলে উক্ত দণ্ড), জাতিনাশক গোমাংসাদি দ্বারা দূষিত করিলে শত সুবর্ণ অর্থদণ্ড আর সুরা দ্বারা দূষিত করিলে  বধ দণ্ড।ক্ষত্রিয়কে দূষিত করিলে অর্থদণ্ড ( অর্থাৎ যে দ্রব্যে ব্রাহ্মণকে দূষিত করিলে যে দণ্ডবিহিত হইয়াছে সেই দ্রব্যে ক্ষত্রিয়কে দূষিত করিলে সেই দণ্ডের অর্ধদণ্ড হইবে) বৈশ্যকে দূষিত করিলে ক্ষত্রিয়দণ্ডের অর্ধদণ্ড হইবে। শূদ্রকে দূষিত করিলে প্রথম সাহস অর্থ দণ্ড হইবে।“

পরাশর সংহিতা

পরাশর সংহিতার একাদশ অধ্যায়ে বলা হয়েছে-  

অমেধ্যরেতো গোমাংসং চণ্ডালান্নমথাপি বা ।

যদি ভুক্তন্তু বিপ্রেণ কৃচ্ছ্র চান্দ্রায়ণং চরেৎ।। ১

তথৈব ক্ষত্রিয়ো বৈশ্যস্তদর্দ্ধ্ন্তু সমাচরেৎ।

শূদ্রোহপ্যেবং যদা ভুঙ্ক্তে প্রাজাপত্যং সমাচরেৎ।। ২

অর্থাৎ,  বিপ্র যদি অপবিত্ররেতঃ, গোমাংস কিংবা চণ্ডালান্ন ভোজন করেন, তবে কৃচ্ছ্র চান্দ্রায়ণ ব্রত আচরণ করিবেন। সেই অবস্থায় ক্ষত্রিয় বৈশ্য ইহারা অর্ধেক ব্রত আচরণ করিবেন। আর শূদ্র যদি উল্লিখিত দ্রব্য ভোজন করে , তবে তাহাকে প্রাজাপত্য ব্রত আচরণ করিতে হইবে। শূদ্র পঞ্চগব্য ভোজন করিবে, দ্বিজ ব্রহ্মকুর্চ্চ  পান করিবে এবং ব্রাহ্মণ একটি গাভী, ক্ষত্রিয় দুইটি গাভী, বৈশ্য তিনটি গাভী এবং শূদ্র চারটি গাভী দান করিবে। (অনুবাদক- পঞ্চানন তর্ক রত্ন)

পরাশর সংহিতার অষ্টম অধ্যায়ে গোহত্যাকারীদের জন্য একটি বিশাল প্রায়শ্চিত্তের বিধান দেওয়া হয়েছে-

“গোবধের প্রায়শ্চিত্তজন্য প্রাজাপত্য ব্রতের ব্যবস্থা করিবে। প্রাজাপত্য নামক কৃচ্ছ্র ব্রতকে চারিভাগে বিভক্ত করিবে। একদিবস কেবল একবার মাত্র ভোজন করিয়া থাকিবে । তারপর একদিন শুধু রাত্রিতে ভোজন করিবে। তারপর একদিন বিনা যাঞ্চায় যাহা পাইবে তারা খাইয়া থাকিবে, আর চতুর্দশ দিবস কেবল মাত্র বায়ু ভক্ষণ করিয়া থাকিবে, ইহাই একপাদ প্রায়শ্চিত্ত। প্রথম দুইদিন একবার মাত্র ভোজন করিবে , তারপর দুইদিন কেবল রাত্রিতে ভোজন করিবে , তারপর দুইদিন অযাচিত হইয়া যাহা পাইবে তাহাই খাইবে , তারপর দুইদিন কেবল বায়ু ভক্ষণ করিয়া থাকিবে। ইহাই দ্বিপাদ প্রায়শ্চিত্ত। প্রথম তিনদিন একবার মাত্র ভোজন করিবে , তারপর তিনদিন কেবল রাত্রিতে ভোজন করিবে , তারপর তিনদিন বিনা যাঞ্চায় যাহা পাইবে তাহাই ভোজন করিবে, শেষ তিনদিন কেবল বায়ু ভক্ষণ করিয়া থাকিতে হইবে, ইহাই ত্রিপাদ প্রায়শ্চিত্ত। প্রথম চারিদিন একবার মাত্র ভোজন করিবে , তাহার পর চারিদিন কেবল রাত্রিতে ভোজন করিবে । তাহার পর চারিদিন বিনা যাঞ্চায় যাহা পাইবে তাহাই ভক্ষণ করিয়া থাকিবে ; আর শেষ চারিদিন কেবল বায়ু ভক্ষণ করিয়া থাকিবে ; ইহাই পূর্ণ প্রায়শ্চিত্ত। এইরূপ প্রায়শ্চিত্ত শেষ হইলে ব্রাহ্মণভোজন করাইতে হইবে , বিপ্রগণকে দক্ষিণা দিতে হইবে এবং দ্বিজ পবিত্র মন্ত্র জপ করিবেন। ব্রাহ্মণভোজন করান হইলে নিশ্চয় গোহত্যাকারী শুদ্ধ হইবে , সে বিষয়ে আর সন্দেহ নাই।“ [ অনুবাদক- পঞ্চানন তর্করত্ন]

বৃহস্পতি সংহিতা

বৃহস্পতি সংহিতায় বলা হয়েছে-

“যে ব্যক্তি ব্রহ্মহত্যাকারী, স্ত্রীহত্যাকারী, পিতৃমাতৃহত্যাকারী, শতসহস্র গোহত্যাকারী এবং যে ব্যক্তি স্বীয় দত্ত কিংবা পরদত্ত ভূমি হরণ করে , সে বিষ্ঠাতে কৃমি হইয়া পিতৃগণের সহিত পচিয়া মরে।“  (২৭-২৮ শ্লোক)

অত্রি সংহিতা

অত্রি সংহিতার একটি স্থানে দেখা যায়  গোমাংস ভক্ষণকে ভালো চোখে দেখা হত না-

“দ্বিজ অষ্টশল্যাগত ( অর্থাৎ অষ্টাঙ্গে শল্যবিদ্ধ) হইয়াও অঞ্জলিপুটে জলপান করিলে , ঐ জলপান- সুরাপান ও  গোমাংসভক্ষণের তুল্য। “  (৩৮১ শ্লোক)

আরেকটি স্থানে গোমাংস ভক্ষণের প্রায়শ্চিত্তের বিধান দেওয়া হয়েছে-

“কাষ্ঠ, লোষ্ট্র বা শিলা দ্বারা গোহত্যা করিলে সান্তপন ব্রত, মৃত্তিকা দ্বারা করিলে প্রাজাপত্য , লৌহদণ্ড দ্বারা করিলে অতিকৃচ্ছ্র করিবে।প্রায়শ্চিত্ত সম্পন্ন হইলে ব্রাহ্মণভোজন করাইবে এবং একটি সবৃষ গাভী পুরোহিতকে দক্ষিণা দেবে। “ ( ২১৯-২২১ শ্লোক)

হিন্দুশাস্ত্রে গোমাংসের পক্ষে ও বিপক্ষে কি কি বলা হয়েছে  আমরা সততার সাথে তা  তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমরা দেখিয়েছি প্রাচীন হিন্দু গ্রন্থগুলিতে গোমাংসভক্ষণ এবং গোহত্যাবিষয়ক অনেক প্রমাণ রয়েছে,  আবার অর্বাচীন ধর্মগ্রন্থগুলিতে গোমাংসভক্ষণকে পাপ হিসাবেও বিবেচনা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে মনে একটি প্রশ্ন জাগা খুবই স্বাভাবিক-  হিন্দু ধর্মের এরূপ  বিবর্তন কেন হল ? এই প্রশ্নের উত্তর আমরা পরের পর্বে খুঁজবো।

(চলবে…)

অজিত কেশকম্বলী II

"মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপারে তুই মূল হারাবি, মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি।"

One thought on “হিন্দু ধর্ম ও গোমাংস রহস্যঃ নিষেধের যুগ

  • August 11, 2020 at 12:32 PM
    Permalink

    আগে জানতাম না,ধন্যবাদ আপনাকে

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *